সর্বশেষ

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে প্রস্তাব

103

বাংলাদেশের জনগণের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে সেদেশের সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানানোর উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে।

নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকার ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কংগ্রেসওম্যান আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিয়ো-করতেজ মঙ্গলবার ‘মেমর‌্যাটিং দ্য ফিফটিয়েথ অ্যানিভার্সারি অব বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্স’ শীর্ষক প্রস্তাবটি কংগ্রেসে উপস্থাপন করেন।

প্রস্তাবটি উত্থাপনে করতেজকে সহায়তা করেন কংগ্রেসের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান কংগ্রেসম্যান গ্রেগরি মিকস, মিশিগানের কংগ্রেসওম্যান রাশিদা তাইয়্যিব ও ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান জিমি গোমেজ।প্রস্তাবটি পাসের জন্য কংগ্রেসের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির কাছে প্রেরণ করা হয়েছে গত ১৬ মার্চ।

উক্ত প্রস্তাবের প্রারম্ভে ১৯৭০ সালের পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পরও পাকিস্তানের সামরিক সরকার তা অস্বীকার করার প্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, সেই ঐতিহাসিক তথ্যটি তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতার বিশেষ প্রশংসা এবং গণতন্ত্রের জন্য যারা জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, তাদেরও স্মরণ করা হয় ওই প্রস্তাবে।

কংগ্রেস ওমেন  আলেকজান্দ্রিয়া করতেজ

এছাড়া স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে বাংলাদেশের মানুষকে অভিনন্দন জানানো, যুগান্তকারী এই মুহূর্তের ঐতিহাসিক গুরুত্বকে বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকার করে নেওয়া, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের সংগ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতার প্রশংসা এবং বাংলাদেশের প্রতিশ্রুত গণতান্ত্রিক শাসনের নীতির প্রতি সমর্থন জানানো এবং বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশকে বিশেষ সম্মান জানানোর কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবে।

স্মরণ করা যেতে পারে, এর কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশের মানুষকে অভিনন্দন জানিয়ে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘বাংলাদেশ গোটা বিশ্বের সামনে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে’ বলে জর্জিয়া স্টেট সিনেটে এবং নিউজার্সি স্টেট পার্লামেন্টে দুইটি পৃথক পৃথক প্রস্তাবএই প্রথম পাস হয়। জর্জিয়া স্টেটের প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বাংলাদেশি স্টেট সিনেটর শেখ রহমান চন্দন।

এসব প্রস্তাবের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়্যার ভেটেরানস’৭১ সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করেছে। কংগ্রেস ও স্টেট পার্লামেন্টসমূহে প্রস্তাব উত্থাপনে সমন্বয় করেছেন লাবলু আনসার।

কংগ্রেসে এই প্রস্তাব উত্থাপনের ক্ষেত্রে এসব উদ্যোগ গ্রহণে কংগ্রেসওম্যান করতেজ ও তার ডিস্ট্রিক্ট অফিসকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ড. নূরুননবী, রাশেদ আহমেদ, গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ, লাবলু আনসার, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি আব্দুল কাদের মিয়া ও ফোবানার চেয়ারম্যান জাকারিয়া চৌধুরী।

আরও সংবাদ
error: Content is protected !!