জাফর ইকবালের ইউ টার্ন

309

জুয়েল সাদাত 

 

কিছু অপ্রিয় সত্য

আপাতত শাবি নিউজ ফিড থেকে চলে যাচ্ছে।। বেশ কয়েকটা পোষ্ট দিয়েছিলাম। যাদের সময় আছে পড়ে দেখবেন, দিন তারিখ দেখে।।
প্রথম অভিযোগ ছিল আমার।। একটি প্রতিকী লাশের জানাজা। যেটা নিয়ে আমার ভীষন আপত্তি ছিল। অনেকেই একমত হয়েছেন। দ্বিতীয়ত প্রভোষ্টের পদত্যাগ বাদ দিয়ে, কেন? ডিসির পদত্যাগ এক দফায় মোড় নিল। সরকার বেশ ঢিলেঢালায় ছিল। সেখানেই বিপত্তি।।

আজ সময়ের আবর্তে মুল শুরুটা তারা স্বীকার করেছে।
“রাতে নির্দিষ্ট সময়ের পর মেয়েদের হলে ফিরতে হবে,, তারা মানতে রাজি না।”
এটা ছেলেদের ও মেয়েদের উভয়ের সমস্যা। কেন?
সবাই জানেন।

আমি ৯০ দশকে দেখেছি, সিলেট মেডিকেলের মহিলা হোষ্টেলেও একটি নিদিষ্ট সময়ের পর গেট নিয়ন্ত্রিত হয়ে যায়।
। আন্দোলন বেগবান হল, কিন্তু আসল ঘটনা চাপা পড়ে গেল।
। অনেকেই স্বপ্ন দেখলেন, মন্ত্রী পাড়ায় ট্রাক।

ভিসিকে যতটুকু অপমান করা যায়, করা হল। সরকার তার জায়গায় ছিল। কারন ভাসির্টিতে কি হয় সেখানে গোয়েন্দা সংস্থার কয়েকজন লোক দিনরাত সিভিলে কাজ করে। আমার সাথে এরকম লোকের এক সময় পরিচিতি ছিল।।

কাগজে কি আসে সেটা সরকারকে তেমন ভোগায় না।। তার রিপোর্টটাই উপর মহলে যায়। এই রিপোর্ট ভুল হলে তার বেচারার চাকরী যাবে। তাই সে নির্ভুল রিপোর্ট দেয়।

জাফর ইকবাল সাহেবও অবগত। তিনি ৬/৭ দিন পরে কেন আসলেন? খোঁজ নেন।? উনাকে কেউ পাঠিয়েছে। তিনি বলবেন না। হিরো জিরো হয়ে যাবেন।
যখন টাকার উ্যস বন্ধ হল, সরকার একটু বাকা হল। তখন ছাত্ররাই বলল।
“ভিসি প্রভোষ্ট মেয়েদের হলের নিয়মনীতি কড়াকড়ি করেছেন”। সব কিছু ক্রিষ্টাল ক্লীয়ার।। তবে ভিসি থাকবেন না হয়ত।

দেশের সব ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েদের অভিভাবক খুশি হবার কথা।। কারন জনাব ফরিদ মেয়েদের মঙ্গল চেযেছেন।। সরা দিন রাত ছেলে মেযে ঘুরে বেড়াবে, গভীর রাতে সিগারেট খেয়ে ক্যাম্পাসে ঘুরবে। পড়াশুনা করবে না। সেটা কতজন মানবেন।।
বিদেশেও কোন ক্যাম্পাসে কেউ গভির রাতে ঘুরে না।
অনেকেই বলছেন।। তালেবানি স্টাইল, কেউ ভেঙ্গে বলছেন না। বেলাল্ল্পনার ও সীমা থাকে।। ২০০ ছাত্র আন্দোলন করল, আর সবাই কই ছিল।।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা অপমানিত হলেন।।মন্ত্রী উপমন্ত্রী্ কঠিন হলেন। সামান্য ধরপাকড় হল। তারপর সমঝোতার জন্য্ ছাত্ররা জাফর সাহেবের মধ্যস্থতা কামনা করল।। তিনি আসলেন, এসে কি বললেন।
তিনি বললেন, তিনি উপর মহলে আলাপ করে সব সমস্যা সমাধান করবেন।।
দীপু মনি কি উপর মহল না। শিক্ষা মন্ত্রনালয কি উপর মহল না।।
অনেকেই জাফর ইকবাল কে হ্যামিলনের বাশিওয়ালা বলেন।। তিনি চম্যকার কথা বলেন সব সময়। ১০ হাজার দিলেন ডোনেশন।। তিনি আরো ৫/৬ দিন আগে কেন আসলেন না।
এই নাটক, এর নির্দেশককে কেউ দেখবে না।।
সারা দেশ মোটামোটি ১১ দিন ব্যাস্ত ছিল।

আজ ইসলামি দলগুলো কোনঠাসা না হলে, ডিসির সপক্ষে মাদ্রাসার ছাত্ররা।তোহিদি জনতা লংমার্চ করত।
তাদের হাজার হাজার কর্মির হুংকারে পুরো ক্যাম্পাস খালি হয়ে যেত।
বলবেন কেন?
১। জানাজার নাটকের জন্য্।
২। ভিসি মেয়েদের হলে সময়সীমা বেধে দিয়েছেন। তারা আধ্যাত্বিক শহরে মদিনা মার্কেট এলাকায় মেয়েরা প্রকাশ্য ধুমপান করে।

( সিলেট আধ্যাত্বিক নগরি।। এখানে অনেকেই শালিনতা বজায় রাখেন।)

 

 

ফ্লোরিডা / ইউ এস এ

আরও সংবাদ
error: Content is protected !!