আলোকিত মানুষের ছায়া

311

 

জুয়েল সাদত

 

 

উনার সাথে পরিচয়  বছর দুয়েক হবে । মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা মাস । আজ মনে হয় চিনি অনন্তকাল থেকে । একজন চম্যকার মানুষ । একাডেমিক, পলিটিক্যাল, সোস্যাল, গুড হিউম্যান বিং সব কিছুর কম্বিনেশন । ভাল মানুষ চিনতে বেশী দুর হাটতে হয় না । আমাদের ম্ধ্য চম্যকার বোঝাপড়া । আমি  এই সারল্য ভরা মানুষটির মাঝে অনেক কিছু খুজে পেয়েছি । গত জুলাই মাসে লন্ডনে  প্রথম দেখা , মনে হচিছল চিনি অনন্তকাল থেকে । যে রকম ধারনা করেছিলাম তার চেয়ে আরও সুন্দর মানুষটা। আমরা বিশ্বনাথের ওয়ান পাউন্ড হসপিট্যাল নিযে কাজ করছি । লন্ডন টুর টা ছিল ওয়ান পাউন্ড হসপিট্যাল এর ফান্ডরাইজিং ও আমাকে ঘিরে । জনাব আয়াছ মিয় এত সুন্দর করে একটি প্রেজেনটেশন দিলেন হসপিটাল টা চোখের সামনে ভাসতে শুরু করল । বিশ্বনাথের বাসিন্দা না হয়েও আমি উনার জন্য ও ডা: শানুর আলীর জন্য ওয়ান পাউন্ডে আষ্টেপিষ্টে জড়ালাম । হসপিটালটা আলোর মুখের দ্বারপ্রান্তে । ্যশ

  • ২৮ জুলাই ২০১৯ সালে জনাব আয়াছ মিয়া লন্ডনে একটি আন্তজাতিক মানবাধিকার সম্মেলন করলেন ,,তিনি হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস অব বাংলাদেশ ইউ কে এর সেক্রেটারী । তিনি প্রবাসীদের মানবাধিকার বিষয়ে বিরাট ভুমিকা রাখছেন । জনাব আয়াছ মিয়া  একজন স্বনাম্ধন্য চার্টাড একাউনটেন্ট । বহুমুখি প্রতিভার অধিকারী কমিউনিটির এক নিবেদিত প্রান । তিনি টাওয়ার হ্যামলেটও গত বছর সিভিক মেয়র ও স্পীকার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন । সে সময় তিনি বাংলাদেশ সফর করে সরকার প্রধান থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি ও স্পীকারের সাথে স্ক্ষাত করে একটি লন্ডন বাংলাদেশ এর মধ্য একটি  যুগবন্ধ রচনায় ভুমিকা রাখেন ।
  • তিনি বিশ্বনাথের সকলের কাছে একজন জনপ্রিয় কমিউনিটি ব্যাক্তিত্ব ।
  • ইংল্যন্ডের স্থানীয় রাজনীীতে তিনি সব সময় সরব থাকেন । বাংলাদেশী কমিউনিটির যে কোন দুর্যগে আয়াছ মিয়া প্রথম কাতারে থাকেন ।
  • আমি জনাব আয়াছ মিয়ার সব সুন্দর কাজে সম্পৃক্ত থাকার চেষ্টা করি । তিনি বিশ্বের সর্বৃবৃহদ মহামারি করোনা ভাইরাসের সময়কালে কমিউনিটির মানুষদের পাশে দাড়িয়েছিলেন । রেখেছিলেন  একটি যুগান্তকারী ভুমিকা । নানা মিডিয়ায় ছিলেন সরব । লন্ডনের বাংলাদেশী কমিউনিটিতে দেখিয়েছেন আশার আলো । তার মাধ্মে সরাসরি ও নানান মাধ্যমে প্রবাসীরা উপকৃত হয়েছেন ।
  • আমার অনন্য স্বজন জনাব কাউন্সিলর আায়াছ মিয়া বিশ্বনাথ উুপজেলার কৃতি সন্তান ।
  • আমি জনাব আয়াছ মিয়ার ‍সুন্দর ও প্রানবন্ত জীবনের সহযাত্রী হিসাবে পথ চলতে তার পেছনে হাটি ।
  • সব শেষে আমি জনাব আয়াছ মিয়ার সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর ও নিরাপদ জীবন কামনা করি ।

 

 

 

আরও সংবাদ
error: Content is protected !!